চাঁদ সম্পর্কে অনেক অজানা তথ্য জেনে নিন

Admin21
July 19, 2021 6:55 pm
Link Copied!

আপনারা কি আমাদের একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ এর গুরুত্ব সম্পর্কে কখনো ভেবে দেখেছেন? দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা সম্পর্কে ভাবতে শিখুন। ভাবুন তো, কি হবে যদি আমাদের পৃথিবীর মায়া ছেড়ে চাঁদ হারিয়ে যায়? আসুন বিস্তারিত জেনে আসা যাক—

চাঁদমামার সৃষ্টি যেভাবে হলো

আজ থেকে সাড়ে 400 কোটি বছর আগে যখন পৃথিবী হবে সবেমাত্র সৃষ্টি হয়েছিল তখন একটা সময় পৃথিবীর কাছে এরকম ছিল যখন পৃথিবীর কোন স্থান ছিল না কিন্তু তারকিছু বছর পরে একটা অদ্ভুত ঘটনা ঘটে যেটা সৌরজগতের সব কিছু পাল্টে দেয় 5 থেকে সাড়ে 400 কোটি বছর আগে পৃথিবী একা একাই সূর্যের চারিদিকে ঘুরে বেড়াতো কিন্তু একদিন এই অনন্ত মহাশূন্য থেকে একটা মঙ্গল গ্রহের মতো সাইজের গ্রহ এসে পৃথিবীর সঙ্গে ধাক্কা খায়, যার ফলে পৃথিবীর কিছু টুকরো মহাকাশে ছিটকে যায়। কিন্তু তখন পৃথিবীর মহাকর্ষ বল অনেক শক্তিশালী ছিল যার ফলে সে টুকরোগুলোকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে টেনে নেয়। আর এভাবেই টুকরোগুলো পৃথিবীর প্রবল মহাকাশ আকর্ষণ বলের ফলে একে অপরের সাথে খুব কাছে এসে জোড়া লেগে একটি উপগ্রহের মত গোলাকার বস্তু সৃষ্টি করে। এটা একটা খুবই ভয়ঙ্কর ঘটনা ছিল কিন্তু এই ঘটনাটা একটা এমন জিনিস জন্ম দেয় যেটা খুবই সুন্দর এবং মায়াবী ছিল। আর এই জিনিসটাই হলো আমাদের সবার প্রিয় চাঁদ।

হ্যা আমরা আমাদের চাঁদমামার কথা বলছি।

এই ঘটনার পরপরই আমাদের পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব লাভ করতে  শুরু করে। প্রাণের সঞ্চার হয় আমাদের এই পৃথিবীতে। তাই অনেক বিজ্ঞানীরা এটা মনে করে যে চাঁদের কারণেই পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব শুরু হয়েছিল। যদি চাঁদ জন্ম না নিত তাহলে পৃথিবীতেও কখনো জীবনের সঞ্চার হতো না। কিন্তু এখন আমাদের প্রশ্ন হলো যদিও চাঁদের কারণে আমাদের পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব সৃষ্টি হয়েছিল, কিন্তু সেটা কিভাবে???

এই প্রশ্নটার উত্তর জানতে হলে আমাদেরকে আগে জানাতে হবে যে চাদ না থাকলে আমাদের কি হবে সেটা!!!অর্থাৎ মনে করেন যে কোন একটা কারণে হতে পারে কোন একটা বিস্ফোরণের কারণে চাদ হঠাৎ ধ্বংস হয়ে গেল, তখন আমাদের পৃথিবীর অবস্থা কি হতে পারে?

এ প্রশ্নের উত্তরটা খুবই হাইপোথেটিকাল এবং ডেঞ্জারেস।

আমরা জানি যে পৃথিবীর মোট চার ভাগের তিন ভাগই জল। আর যদি এই সম্পূর্ণ জলকে কেউ নিয়ন্ত্রম করে থাকে তবে সেটা হলো আমাদের চাঁদ। চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে ঘুরতে ঘুরতে পৃথিবীর জলকে তার নিজের দিকে আকর্ষণ করে। এবং এর ফলে সমুদ্রের জোয়ার ভাটা হয় এবং সমুদ্রের জল উচুর দিকে উঠে যায়। আমরা খেয়াল করলে দেখব যে সমুদ্রের বুকে সবসময় উঁচু উঁচু ঢেউ দেখা যায়। আমরা এগুলো দেখে মনে করি যে এগুলা হয়তো বাতাসের কারণে হচ্ছে। কিন্তু আপনারা জেনে অবাক হবেন য,  সমুদ্রের বড় বড় ঢেউ গুলো উপরে তোলার পিছনে বাতাসের কোন ভূমিকা প্রায় নেই বললেই চলে এর মূল হোতা হিসেবে কাজ করে আমাদের চাঁদ এবং তার আকর্ষণ বল।

আপনার হয়তো একটু অবাক হয়ে গেছেন তাই না?

অবাক হওয়ারই কথা কারন যে চাঁদ পৃথিবী থেকে প্রায় 3 লক্ষ 84 হাজার 400 কিলোমিটার দূরে, সে চাঁদ কিভাবে তার আকর্ষণ বল দ্বারা আমাদের পৃথিবীর পানি উপর দিকে টানে এবং কিভাবে তার ফলে জোয়ার-ভাটা সৃষ্টি হয়?

ওইভাবে ভাবলে সূর্যও কিন্তু আমাদের সবকিছুকে নিজের দিকে আকর্ষণ করছে এবং সূর্য চাঁদ থেকে অনেক বড়ও বটে। তার ফলেও সূর্যের আকর্ষণ বল পৃথিবীর ওপর তেমন কোন প্রভাব ফেলতে পারছে না। এর কারণ হলো সূর্য চাঁদ থেকে বড় হলেও সূর্যের দূরত্ব, চাঁদের চেয়ে পৃথিবী থেকে অনেক অনেক বেশি।

এখন ধরুন, পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখান থেকে আমাদের চাঁদমাম হারিয়ে গেছে।

তারমানে এখন পৃথিবীর সমস্ত নিয়ন্ত্রণ সূর্যের হাতে চলে গেছে। হয়তো তখনই কিয়ামত শুরু হবে। সূর্যের মহাকর্ষ বল সমুদ্রের জল কে বেশি একটা প্রভাবিত  করতে পারবে না। আসলে এ কথাটা ততক্ষণ পর্যন্ত সঠিক যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের চাঁদ ছিল। কিন্তু চাঁদ যে মুহূর্তে ধ্বংস হয়ে যাবে, তখন সূর্যের সম্পূর্ণ মহাকর্ষ বল পৃথিবীর উপর পড়বে। তখনই সমুদ্রে অনেক উঁচু উঁচু ঢেউ উঠতে শুরু করবে। শুধু 1 মিনিট সময়ের ব্যবধানে অনেক বড় বড় দানবীয় ঢেউ এবং সুনামি,টর্নেডো শুরু হয়ে যাবে।

যার ফলে সমস্ত পৃথিবীর যত উপকূলীয় এলাকা আছে আস্তে আস্তে সেগুলো ছিন্নভিন্ন হওয়া শুরু করবে। এবং তখনই পুরা বিশ্বের মানুষের মধ্যে একটি অদ্ভুত রকমের ভয়/হতাশা সৃষ্টিহয়ে যাবে। এরপর মাত্র 5 মিনিট এর ব্যবধানে সমস্ত পৃথিবী সমুদ্রের মধ্যে যতগুলো দ্বীপ আছে সবগুলা দ্বীপ আস্তে আস্তে সমুদ্রের জলে তলিয়ে যাবে। তখন আশেপাশের শহরের মানুষগুলো শুধু এই ধ্বংসলীলা দেখবে কিন্তু কিছুই করার থাকবে না।

তারপর এক ঘন্টা পর উপকূলীয় অঞ্চলের আশেপাশে যে শহর গুলো এবং গ্রামগুলো ছিল সবগুলোই সমুদ্রের জলে তলিয়ে যাবে। এবং তখনই মুহূর্তের মধ্যে এই তাণ্ডবে হাহাকার হঠাৎ করে শান্ত হয়ে যাবে। কারণ পৃথিবীর মধ্যে যতগুলো সমুদ্র আছে তারা তাদের সমুদ্র স্তরকে ততক্ষণে ব্যালেন্স করে নিয়েছে। ফলে আর বড় বড় ঢেউ উঠবে না।

এখন আপনারা হয়তো কিছুটা বুঝতে পারছেন যে আমাদের চাঁদমামা চলে যাওয়ার প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যেই এই ঘটনাগুলো ঘটেছে, এই ঘটনাগুলোই পৃথিবীতে কিন্তু প্রায় অভাবণীয় রকমভাবে পরিবর্তন করে দিবে।

তারপর কাহিনী শুরু হবে 24 ঘন্টা পর। কারণ 24 ঘন্টা পর রাতে তো আমাদের আকাশে চাঁদ উঠতো। হয়তো তখন আমরা বষয়টাকে এতোটা গুরুত্ব দিতাম না। কিন্তু এখনতো আমাদের চাঁদ মামা নেই। তখন চাতক পাখি যেমন পানির জন্য হাহাকার করে ঠিক তখন আমরাও চাঁদকে একফোঁটা দেখার জন্য হাহাকার করব।

আমরা জানি, আমাদের ভূগোলে আছে যে, পৃথিবী সাড়ে 66 ডিগ্রী কোণে হেলে আছে এবং এই অবস্থায়  সে সূর্যকে চারদিকে প্রদক্ষিণ করছে। কিন্তু কেন পৃথিবীর সাড়ে ৬৬.৫° কোণে হেলে আছে আপনারা জানেন? আসলে এটা চাঁদের জন্যই। তাই যদি চাঁদ না থাকে তাহলে পৃথিবী ঘূর্ণনের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলবে এবং খুব ভয়ঙ্কর ভাবে কাঁপতে থাকবে।

আর এর ফলে পৃথিবীতে প্রতি ঘন্টায় ঘন্টায় ঋতু পরিবর্তন হতে শুরু করবে। যেম,  যেখানে মানুষ গরমে অতিষ্ঠ হয়ে যাচ্ছিল হঠাৎ করেই সেখানে বরফে বৃষ্টি পড়া শুরু হতে পারে। আজ যেখানে বরফ পড়ছে সেখানে চোখ ঝলসানো চামড়া পুড়ে যাওয়ার মত রোদ পড়তে পারে। অর্থাৎ কোন কিছু তখন নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। পৃথিবীর যে জায়গা গুলোতে সব সময় বরফে ঢাকা থাকে   সেখানে প্রচন্ড রোদ পড়তেছে এবং সবচেয়ে বেশি গরম থাকে সেখানে প্রথম ঠান্ডা পড়তেছে। এমনকি দেখা যাবে বাংলাদেশের মত জায়গাতেও বরফের বৃষ্টি পড়ছে। এইগুলা ঘটার মূল কারনই হল চাঁদ থাকায়,কারণ পৃথিবী তার চারদিকে কাঁপছে। এখন আর ঋতু বলতে আর কিছু নেই কারন, প্রত্যেক ঘন্টায় ঘন্টায় পৃথিবীর তাপমাত্রা  এমনভাবে উঠানামা করতেছে যে তখন আর ঋতু বলতে কিছুই থাকবে না। তার মানে আমাদের চেনা পৃথিবী এখন সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন হয়ে গেছে।

পৃথিবীর প্রতি প্রতি মুহূর্তে পৃথিবীর কোন কোন কোন স্থানে ভূমিকম্প হয়েই চলবে,,, এবং খুবই ড্যাঞ্জারাস বিষয় হল এর জন্য মাটির নিচে থাকা সুপ্ত আগ্নেয়গিরি গুলো একটিভ হয়ে যাবে।

12 ঘন্টা পর যখন তাপমাত্রা ছিল 20 ডিগ্রি সেলসিয়াস কিন্তু হঠাৎ রাতের মধ্যেই সেটা কমে তাপমাত্রা হয়ে গেছে 0 ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং এজন্য আমাদের খাবার পানির যা আছে সব গুলো বরফ হয়ে গেছে। তখন হয়তো এমন নিউজ আসবে যে নিউজ আসবে যে পৃথিবীর 700 কোটি মানুষের মধ্যে সমুদ্র উপকূলে তাকে 100 কোটি মানুষ মারা গেছে। যেটা পৃথিবীর ইতিহাসে খুবই হৃদয়বিদারক হবে ।

বিনা চাঁদের এই অদ্ভুত পৃথিবীতে মানুষ খুব কষ্টের সাথেই বেঁচে আছে। হঠাৎ অত্যধিক গরমে অতিষ্ঠ হয়ে যাচ্ছে আবার এক ঘণ্টা পরেই প্রবল ঠান্ডায় পানি বরফ হয়ে যাচ্ছে। সুনামির কারণে সমুদ্র থাকার প্রাণীগুলো আর বেচে থাকতে পারছ না। এদিকে কৃষিকাজে করা সম্ভব হচ্ছে না কারণ আবহাওয়া মুহূর্তের মধ্যেই এত পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে, যে কোনো কিছুই চাষ করা সম্ভব হচ্ছে না। এর ফলে সমস্ত পৃথিবীর মধ্যে প্রায় ৫ দিনের ব্যবধান চরম খাদ্যের হাহাকার দেখা দেয়া শুরু হয়ে গেছে। এখন বাইরের মাঠে বা জমিতে কোন কিছুতে চাষ করা সম্ভব নয় একমাত্র ল্যাবরেটরী বা কৃত্রিম উপায়ে কোন কিছু করা ছাড়া। বিজ্ঞানীরা দিন-রাত কষ্ট করে ল্যাবের মধ্যে অনেক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোটামুটি ভাবে চেষ্টা চালাচ্ছে কিছু চাষাবাদ করার জন্য। চরম হাহাকার।

কিন্তু এটা তেমন কিছুই না এরচেয়ে আরো অনেক বেশী মর্মান্তিক এবং আশ্চর্য ঘটনা টা ঘটবে আরো একদিন পরে অর্থাৎ 6 নাম্বার দিন।

6 ঘন্টা পর 6 নাম্বার দিন চলে এলো। হ্যাঁ আপনি ঠিকই শুনেছেন 6 দিন পর কারণ এখন দিন তিন ঘন্টার এনং রাত তিন ঘন্টার। হ্যাঁ 24 ঘন্টা জায়গায় এখন 6 ঘন্টায় দিন রাত হয়ে যাচ্ছে। এর কারণ হলো যখন চাঁদ ছিল তখন চাঁদ পৃথিবীর ঘূর্ণন স্পীডকে অনেকটা কমিয়ে দিত যার ফলে 24 ঘন্টায় ১ দিন হতো। কিন্তু এখন তো আর আমাদের চাঁদমামা নেই, তাই পৃথিবীর পৃথিবীর ঘূর্ণন গতি অনেকটা বেড়ে গেছে তাই 24 ঘন্টার জায়গায় একদিন হতে 6 ঘন্টা লাগছে।

কি অবাক হয়ে যাচ্ছেন তাই না,,,এটা কি হচ্ছে?

এখন তো পৃথিবীর সবাই এক দিনে চারবার সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত দেখছেন। সময় এর কোনো মূল্য থাকলো না আর এখন। বিজ্ঞানীরা নতুন সময় নির্ধারণ করার চেষ্টা করছে যাতে পৃথিবীর সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারে।

এক মাস পর, এখন একমাস আর আগের এক মাসের মতো না এখন প্রত্যেকদিন 6 ঘণ্টা করে অর্থাৎ 7 দিনেই এক মাস হয়ে গেছে।এখন মানুষ এই সিস্টেমের সাথে অ্যাডজাস্ট করে চলতে শিখে গেছে অনেকটা। এই ঘটনাতে সম্পূর্ণ মানব জাতি ধ্বংস হয়ে যায় নি। কারন মানুষ বেঁচে থাকার জন্য বিভিন্ন রাস্তা নিজেদের জন্য খুঁজে নিয়েছে এবং এটা মেনে নিয়েছে। কিন্তু পৃথিবী আর আগের মত নেই সম্পূর্ণরূপে পাল্টে গেছে। আর মানুষ ওই আগের সোনালী দিনগুলোর কথা ভেবে দুঃখ প্রকাশ করতে শুরু করছে আর ভাবছে আগে কতইনা ভাল ছিলো!

কতইনা ভাল ছিলো যদি আমরা ওই আগে পৃথিবীতে ফিরে যেতে পারতাম! গ্রীষ্ম বর্ষা শরৎ হেমন্ত শীত বসন্ত ছয় ঋতুর এই মনমুগ্ধকর আমাদের জন্মভূমি পৃথিবীতে কেইবা না থাকতে চাই! কিন্তু এখন এই সুন্দর দিনগুলো মানুষের কাছে শুধুই ইতিহাস হয়ে রয়ে গেছে আমাদের চাঁদ না থাকায়। স্কুলের বাচ্চাদের এখন শিখানো হচ্ছে যে আমাদের আগের পৃথিবীতে একদিন 24 ঘন্টাই হত। এই কথাগুলো ভাবলেই কষ্ট যেন বুকটা হাহাকার করে ওঠে।

আমাদের চাঁদের কতই না গুরুত্ব কিন্তু আমরা তা অনুধাবন করার চেষ্ঠা করি নাহ।

কি সুন্দরই না আমাদের পৃথিবী এবং চাঁদ যেনো আমাদের পৃথিবীর এই সৌন্দর্যের দেবতা।

আমরা যে আমাদের এই সুন্দর পৃথিবীতে স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে থাকতে পারতেছি, এই জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে আমাদের সবার শুকরিয়া করা উচিত।

আলহামদুলিল্লাহ।।।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।